ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

অন্ধকার অতীতের বিরুদ্ধে লড়াই করে বক্স অফিস মাতালেন সামান্থা

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা সামান্থা রুথ প্রভু আবারও প্রমাণ করেছেন যে নারী-কেন্দ্রিক সিনেমাও বড় কমার্শিয়াল সাফল্য উপহার দিতে পারে। তার অভিনীত ও প্রযোজিত তেলেগু ছবি ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই বিশ্বব্যাপী ৪৩ কোটিরও বেশি রূপি আয় করে নতুন রেকর্ড গড়েছে।

এই সাফল্য শুধু ব্যবসায়িক নয়, সামান্থার অভিনয় জীবনেরও এক বড় মাইলফলক। ‘ওহ! বেবি’ ও ‘যশোদা’ মতো ছবির পরে ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ তার একক-নায়িকা হিসেবে অর্জিত সর্বোচ্চ আয় হওয়ার দাবি জানালো এবং সমালোচক-দর্শকরা এটিকে তার ক্যারিয়ারের আরও শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।

চলচ্চিত্রটির পরিচালক নন্দিনী রেড্ডি, যিনি ২০১৯ সালের ব্লকবাস্টার ‘ওহ! বেবি’তেও সামান্থার সঙ্গে কাজ করেছিলেন, এই জুটির দীর্ঘ বিরতির পরকার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছিলেন যে এই ঐতিহাসিক জয় মূলত দর্শকদেরই।

অ্যাকশন-ড্রামা ধাঁচের গল্পে সামান্থা ‘স্বর্ণা’ বা ‘ঝাঁসি’ নামে এক চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে দেখা যায়। কাহিনিতে বিয়ের পর স্বামীর পরিবারের সঙ্গে প্রথম দেখা করতে গিয়ে তিনি নিজের অতীতের এক ভয়াবহ ও ট্রমাটিক স্মৃতির মুখোমুখি হন। নতুন পরিবারকে মেনে নেওয়ার পাশাপাশি নিজের ভয়ে-দু:খে ভর করা অতীতের সঙ্গে লড়াই করতেই হবে তাকে — এবং পর্দায় সেই লড়াকু ও আবেগগত যাত্রা দর্শকদের শক্তভাবে স্পর্শ করেছে।

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’-এর এই ব্যপক সাফল্য প্রযোজক-পরিচালকদের মধ্যে নারী-কেন্দ্রিক এবং শক্তিশালী গল্প নির্মাণের আগ্রহ বাড়াবে। একই সঙ্গে এটি ব্যাপক ভাবে প্রমাণ করে যে সামান্থার একক তারকা হিসেবে দর্শকপ্রিয়তা এখন উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। হল-মালিকরা আশা করছেন ছবিটি সামনে আরও বড় রেকর্ড ভাঙবে।