ছাত্র-জনতার ইতিহাসে অমর হয়ে থাকা জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একটি প্রতীকী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে জুলাই-যোদ্ধারা, আন্দোলনে আহত হওয়া এবং নিহত পরিবারের সদস্যরা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকালে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে বিভিন্ন বয়সী অংশগ্রহীতারা অংশ নেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাসহ অসংখ্য মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই ম্যারাথনে অংশ নিয়ে গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করেন।
ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং শুরুতেই নিহত শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
ম্যারাথনের পর উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান আমাদের দেশের ইতিহাসে এক গর্বের অধ্যায়। এই অভ্যুত্থান গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় নতুন একটি পথ খুলে দিয়েছে। আজকের এই প্রতীকী ম্যারাথনের মাধ্যমে আমরা মহান শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তরুণ প্রজন্মকে সেই চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছি।’
প্রায় এক হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহনে, প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রতীকী ম্যারাথনটি শুরু হয় বাংলাদেশের চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে। এরপর এটি গণভবন, সংসদ ভবন এবং খামারবাড়ি এলাকা অতিক্রম করে আবার চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ফিরে এসে শেষ হয়। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের গৌরবময় ইতিহাসকে স্মরণ করার পাশাপাশি দেশের যুব সমাজকে ঐতিহাসিক বীরত্ব এবং গণতান্ত্রিক চেতনা শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে।









