রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বোরহানউদ্দিনে বিক্ষোভ ও মিছিল করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা।
শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উত্তর বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা ‘বিচার চাই, সোহাগ হত্যার বিচার চাই’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেনো বাহিরে’, ‘রশি লাগলে রশি নে, খুনিকে ফাঁসি দে’ এমন নানা প্রতিবাদী স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিক্ষোভে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জসিমউদ্দিন খাঁনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খাঁন, সদস্য সচিব কাজী মোঃ আজম, যুগ্ন আহ্বায়ক মঞ্জুরুল আলম ফিরোজ কাজী, শহীদুল আলম নাসিম কাজী, পৌর বিএনপির সহ সভাপতি বশির আহমেদ, সাংগঠনিক ফাইজুল ইসলাম, যুবদল আহ্বায়ক শিহাব হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আতিফ আসলাম রুবেল, ছাত্রদলের সভাপতি দানিশ চৌধুরী ও পৌর ছাত্রদল সভাপতি রায়হান আহমেদ শাকিলসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, “৯ জুলাই মিটফোর্ড হাসপাতালে ঘটে যাওয়া বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের কঠোর নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা চেয়ে থাকি দ্রুততম সময়ে সোহাগ হত্যায় জড়িতদের বিচারের ব্যবস্থা করতে। একই সঙ্গে সম্প্রতি চাঁদপুরে মসজিদে ইমামের প্রতি হামলার ঘটনাকেও আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
তারা আরো বলেন, “তাড়াহুড়ো করে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে কিছু মহল কাজ করছে। বিএনপি হলো শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল, যার জন্য আমরা—চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ—অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। আওয়ামী লীগের হামলা ও মামলা সত্ত্বেও আমরা রাজপথে সংগঠিত থেকেছি। জামায়াত ও এনসিপির নানা সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, ‘যখন মেধাবী ছাত্র আবরারকে হত্যা করা হয়েছিল, তখন ওই মহল কোথায় ছিল? বিএনপির নামে মিথ্যাচার ও মিডিয়া ট্রায়াল চলমান, তাই আমাদের নেতাকর্মীদের আরও সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
বক্তারা স্পষ্ট করে বলেন, এই দলের মধ্যে কোনো চাঁদাবাজ কিংবা সন্ত্রাসীর স্থান নেই এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বিএনপির নীতির পরিপন্থী। নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার সময় বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চলছে, সেক্ষেত্রে আরও একতাবদ্ধ থাকার প্রয়োজন আছে।







