ঢাকা | সোমবার | ৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

বাকৃবিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে এবং গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (জিটিআই) এর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) “বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ” শীর্ষক ৩২তম কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

রবিবার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিটিআই শ্রেণিকক্ষে কোর্সটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি.এম. মুজিবুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক।

জিটিআই পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক আইরিন আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সিনিয়র কোর্স কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. বেনতুল মাওয়া। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম এবং বাউরেস পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: হাম্মাদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মো: নজরুল ইসলাম, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: রোস্তম আলী, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. দীন ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোছা: জান্নাতুন নাহার মুক্তা, চিফ মেডিক্যাল অফিসার ডা: মো: সাইদুর রহমান, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো: আসাদুল হক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম এবং চিফ মেডিক্যাল অফিসার (প্রতিষেধক) ডা: মো: শাহাদাৎ হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. জি.এম. মুজিবুর রহমান বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁদের পেশাগত উন্নয়নের জন্য এই প্রশিক্ষণের অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “শিক্ষকতা শুধুমাত্র শ্রেণিকক্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি আরো অনেক বিস্তৃত। এই প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণকারীদের জীবনে সহায়ক হবে, তাই নিয়মানুবর্তিতা ও মনোযোগের সঙ্গে এটি সম্পন্ন করার আহ্বান জানাই।”

তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের আত্মা ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “১৯৭১ এবং ২০২৪—দুটি ঘটনাই আমাদের জাতীয় গর্ব। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের ভাবনা না নিয়ে আমরা জাতি হিসেবে এগিয়ে যেতে পারব না।” এজন্য তিনি জিটিআই কর্তৃপক্ষকে প্রশিক্ষণ মডিউলে ২০২৪ সালের গণ-চেতনা অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

উল্লেখ্য, ২৭ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত ৩৩ দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে ১৮টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২৫ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করছেন।