ঢাকা | মঙ্গলবার | ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

অনুমোদনবিহীন গ্যাস ব্যবহার ও বাইপাস লাইনের অপরাধে তিতাস গ্যাসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ অবৈধ গ্যাস ব্যবহার শনাক্তকরণ এবং উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। নিয়মিত অভিযানের আওতায় ২০২৫ সালের ৭ জুলাই রাত ১১:৪৫ টায় নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক বিক্রয় বিভাগের আওতাধীন জোবিঅ-মুন্সিগঞ্জ এলাকায় বিশেষ টীম অভিযান পরিচালনা করে। ওই সময় মেসার্স আল মদিনা বোর্ড মিলস এবং মেসার্স বিসমিল্লাহ বোর্ড মিলসের আঙ্গিনায় গ্যাস মিটার বাইপাসের মাধ্যমে অননুমোদিতভাবে গ্যাস ব্যবহার পাওয়া যায়। তাই উক্ত দুই গ্রাহকের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং বাইপাস লাইনগুলো কিলিং ও ক্যাপিং করা হয়। অভিযানের পর গ্রাহকদের বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

পরের দিন, ৮ জুলাই, মিরপুরের জোবিঅ এলাকায় ভিজিল্যান্স বিভাগের অভিযান পরিচালনার সময় ২টি বাণিজ্যিক এবং ১টি আবাসিক গ্রাহকের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এডভান্স অ্যাট্যায়ারের প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত ২৩৫ কেজি বয়লারের স্থলে ৫০০ কেজি বয়লার গ্যাস ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। একইভাবে, টিএমএস গার্মেন্টস লিমিটেডের ১৫০ কেজি বয়লারের স্থলে ৩৫০ কেজি বয়লারের গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছিল। অনুমোদনবিহীন অবস্থায় অতিরিক্ত গ্যাস ব্যবহারের কারণে উভয় প্রতিষ্ঠানের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ইনলেট ভাল্ভে প্লাস্টিক সিল স্থাপন করা হয়।

এছাড়া, মো: হোসেনের বাসায় ভিজিল্যান্স বিভাগ সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখেছে, অনুমোদনের বাইরে ২৬টি ডাবল চুলায় গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে, যেখানে গ্রাহককে মাত্র ৩টি ডাবল চুলার অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের কারণে তার সংযোগও তাত্ক্ষণিক বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং প্লাস্টিক সিল স্থাপন করা হয়।

এছাড়া, ভালুকা ও কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক রাজস্ব শাখার বিশেষ অভিযানে বকেয়ার কারণে ৩টি আবাসিক গ্রাহকের ডাবল চুলার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং অভিযানকালে দুই গ্রাহকের কাছ থেকে ৮৮,৭৪০ টাকা তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সারদাগঞ্জের মেসার্স মেগা ইয়ার্ণ ডায়িং মিলসের গ্যাস বিল বকেয়ার কারণে উভয় রানের গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আরও একবার সতর্ক করেছে যে, সমস্ত গ্রাহককে অনুমোদিত গ্যাস ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অবৈধ ব্যবহারে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে যাতে গ্যাসের অবৈধ ব্যবহার প্রতিরোধ করা যায়।