আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের ৬টি জেলায় সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকায় দক্ষিণ-পূর্ব বা দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, একই সময়ে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তায় চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিমি থেকে সর্বোচ্চ ১৮৮ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। একটির বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পৌঁছেছে।
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে মৌসুমী বায়ু সক্রিয় রয়েছে এবং অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয় অবস্থায় ও রয়েছে। ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় পাশাপাশি রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা থাকলেও অন্যত্র তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। রাতের তাপমাত্রাও সারাদেশে প্রায় একই রকম থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ১৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় শ্রীমঙ্গলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সিলেটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।








