দেশের ধর্মীয় সেবকদের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও আর্থিক সহায়তা অর্জনের লক্ষ্যে সরকার নতুন এক সম্মানী কার্যক্রম শুরু করছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সেবকদের আর্থিক স্বচ্ছলতা ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বার্তার মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানানো হয়, এই কর্মসূচি দেশের ধর্মীয় সেবকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু ইসলামি সম্প্রদায়ের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরই নয়, দেশের অন্যান্য ধর্মের প্রতিনিধিদের জন্যও সম্মানী কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে মসজিদের খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত ও সেবায়েত, পাশাপাশি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষরাও এই সম্মানী কার্যক্রমের আওতায় থাকবেন।
সরকারের এই পদক্ষেপ ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সেবকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, এই সম্মানী বিতরণে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু پروক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
ধর্মীয় সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ অংশগ্রহণকারীরা এই инициативিকে ব্যাপক উৎসাহ ও আগ্রহের সঙ্গে গ্রহণ করেছেন। যেন দ্রুতই এই সম্মানী কার্যক্রম শুরু হলে দেশের নানা প্রान्तের হাজারো ধর্মীয় সেবক তার উপকার পাবেন বলে ধারণা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রকারের উপস্থিতি এবং এই মুহূর্তকে সরকারের ধর্মীয় কাঠামো ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারে ইতিবাচক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দেশের ধর্মীয় ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করবে।








