বাংলাদেশ সন্ত্রাসবাদ ও তার পরিবর্তিত রূপের মোকাবিলায় আরও effektive এবং দৃঢ় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা 강조 করেছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), এনক্রিপটেড যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ভার্চুয়াল অ্যাসেটের মতো আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করছে, যা নিয়ে বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার (১ জুলাই) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কৌশল বিষয়ক বিতর্কে এই উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, যারা বাংলাদেশের অবস্থান ব্যক্ত করেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আনুগত্যের সঙ্গে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির পুনরুল্লেখ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন দমনে বাংলাদেশ_HAS ভবিষ্যতের জন্য জোরালো আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের (বিএফআইইউ) সমন্বিত প্রচেষ্টায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান আরও গতিশীল হয়েছে। তবে, তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রতিটি পদক্ষেপ অবশ্যই আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ সম্মান বজায় রেখে পরিচালিত হতে হবে।
রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বিশ্ব সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেবল দণ্ডের পরিবর্তে, সন্ত্রাসের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে তার নির্মূল ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য। তিনি বৈশ্বিক ইসলামবিদ্বেষ ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উন্নত রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বৈশ্বিক নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটানোর অবকাশ রুখতে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।








