ঢাকা | শুক্রবার | ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ভোলায় চাঁদা না পেয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের প্রধান আসামি গ্রেফতার

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে স্বামীকে আটক রেখে মারধর করার পর একটি গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মূল দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন যুবদলের কর্মী মো. আলাউদ্দিন এবং শ্রমিক দলের নেতা মো. ফরিদ উদ্দিন। তারা এই মামলার এজাহারনামীয় ১ ও ২ নম্বর আসামি।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ভোর রাতে নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া থেকে আলাউদ্দিনকে এবং ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ফরিদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে, বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মামলার ৫ নম্বর আসামিকে র‍্যাব গ্রেফতার করে। এছাড়া, ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগীর স্বতীনকেও আটক করে পুলিশ। বর্তমানে মামলার সাত আসামির মধ্যে চারজনকে প্রাথমিকভাবে গ্রেফতার করা হলো।

তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহব্বত খান জানান, রাতে চালানো এক অভিযানে প্রধান দুই আসামিকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, বুধবার (২ জুলাই) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ভোলার পুলিশ সুপার মো. শরীফুল হক। তিনি ভুক্তভোগী পরিবারকে পরিষ্কার করে বিচার দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং বলেন, “কোনো অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না।”

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকাল ৩টায় জেলা পুলিশ এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, এ পর্যন্ত মামলার চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকিদের ধরার জন্য কাজ চলছে।

মুলত, সোমবার (৩০ জুন) রাতের ঘটনায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের মোল্লার পুকুরপাড় এলাকায় চাঁদার জন্য স্বামীকে আটক রেখে মারধর করা হয় এবং তার স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্তরা স্থানীয় শ্রমিকদল, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত মামলাটি সমাধানে কাজ করছে।