ঢাকা | শুক্রবার | ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

মুক্তপ্রাণ মানবিক কবি আবদুল হাই মাশরেকীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

বাংলা গানের জনপ্রিয় ধারার নির্মাতা, কিংবদন্তি কবি ও গীতিকার আবদুল হাই মাশরেকীর ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে ‘কবি আবদুল হাই মাশরেকী’ গবেষণা কেন্দ্র ও মাসিক জনপ্রশাসন পত্রিকা भाग নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, এবং সভাপতিত্ব করেন চিত্রশিল্পী ও সমাজসেবী সন্তু সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. গোলাম শফিক—কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার; প্রফেসর গাউসুর রহমান—গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কবি; মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম—প্রাবন্ধিক ও ইতিহাসবিদ; দৈনিক বাংলার সমাচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফারুক আহমেদ এবং উত্তরাঞ্চলের ঈশ্বরগঞ্জ ফোরামের সভাপতি মজিবুর রহমান।

বক্তারা উল্লেখ করেন, আবদুল হাই মাশরেকী ছিলেন এক মুক্তপ্রাণ মানবিক রেনেসাঁর কবি। তিনি ছিলেন মাটির কাছাকাছি থাকার মতো একজন ভূমিপুত্র, যিনি মানুষের প্রয়োজনের প্রতি গুরুত্ব দিতেন। প্রয়োজনে নিজের লেখা ও সৃষ্টিকর্ম বিনা পারিশ্রমিকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেন। তারা বলছেন, তাঁর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অবদান যথাযথ মূল্যায়ন না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সাংস্কৃতিকভাবে বঞ্চিত হবে।

আলোচনা শুরু হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও নানে রাসুল পরিবেশনের মাধ্যমে, যা গজলশিল্পী ওস্তাদ জামাল হাসান ও তাঁর সহশিল্পীরা পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কবি গোলাম কাদের, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার আকবর সিরাজী, কবির সন্তান নঈম মাশরেকী, শহীদুল ইসলাম সেলিম, মো. রুহুল আমিন বাদল প্রমুখ।

আলোচনায় আবদুল হাই মাশরেকীর জীবন, সাহিত্যকর্ম ও গণতান্ত্রিক চেতনায় তাঁর অবদান বিশদভাবে আলোচিত হয়।