যুক্তরাজ্য সরকার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা দুর্গত মানুষের জন্য প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা (৩৫৫ হাজার পাউন্ড) আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছে। এই অর্থের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধ লাখের বেশি মানুষের জন্য নগদ অর্থ, খাদ্যদ্রব্য ও স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী সরবরাহ করা হবে। এই ঘোষণা বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সহায়তার এই প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক সংস্থা স্টার্ট নেটওয়ার্কের পরিচালনায় এবং স্থানীয় ও জাতীয় বেসরকারি সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিশেষ করে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি ও মৌলভীবাজার জেলাগুলোতে সহায়তা কার্যক্রম চালানো হবে।
অগ্রে, এই বছরের মে মাসে সিলেট এলাকার বন্যাকবলিত মানুষের জন্য যুক্তরাজ্য সরকার প্রায় ২ লাখ ৪৫ হাজার পাউন্ড বা প্রায় ৩ কোটি ৯0 লাখ টাকার জরুরি সহায়তা পাঠিয়েছিল। নবীন এই সহায়তা যোগ করে, ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাজ্যের মোট দানের পরিমাণ পৌঁছেছে ৬ লাখ পাউন্ডের বেশি, যা প্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকায় দাঁড়ায়।
সেই সঙ্গে, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (আইএফআরসি) এর দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া তহবিলের (ডিআরইএফ) মাধ্যমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১০টি জেলায় আরও ৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩৪৮ পাউন্ড বা প্রায় ৭ কোটি ২০ লাখ টাকার সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
এছাড়াও, যুক্তরাজ্যের হাইড্রো-মেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে বাংলাদেশের আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থায় যুক্তরাজ্যের মেট অফিসের তথ্য ব্যবহারে সহায়তা বাড়ানো হয়েছে, যা বন্যার পূর্বাভাস ও প্রতিরোধে বিশেষ সহায়ক। এর ফলে বন্যার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা আরও উন্নত হয়েছে এবং দ্রুত জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়েছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের মানুষের জন্য যুক্তরাজ্য সবসময় পাশে আছে। এই মানবিক সহায়তা প্রভাবশালী ্্য তোমা ্যাহা উপকূলীয় এলাকার ৫৫ হাজারের বেশি মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করবে। তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, পুনর্বাসন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে যুক্তরাজ্য সম্মত।









