ঢাকা | সোমবার | ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

রাঙামাটিতে হাজারো মানুষের উল্লাসে দৃষ্টিনন্দন জুলুস ও মিলাদুন্নবী পালন

পর্যটন নগরী রাঙামাটিতে হাজারো মানুষের উপস্থিতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উপলক্ষে দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহ্যবাহী জুলুস ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিশেষ দিনে শহরজুড়ে এক ভরা উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়, যেখানে অজস্র মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা অংশগ্রহণ করেছেন।

রাঙামাটির গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বাদ জুমা রিজার্ভবাজার জামে মসজিদ থেকে বিশাল এক শোভাযাত্রা বের হয়। ধান্ন্যবাদিসহ নানা রঙের পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুনের উপর দীপ্ত কলেমা ও আল্লাহু আকবরের স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো শহর। এ শোভাযাত্রা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে এবং শেষে বনরূপা জামে মসজিদের সামনে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রার পরে সেখানেই এক মনোমুগ্ধকর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর জীবনী ও সাহাবি-সাহাবিয়া, ইসলামের ইতিহাস ও দিকনির্দেশনার ওপর আলোচনা করেন। মহান আল্লাহর রহমত ও বরকত কামনা করে মিলাদ, কিয়াম ও মুনাজাতের মধ্য দিয়ে এই দিনটির সমাপ্তি হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি আব্দুল ওয়াজেদ, বনরূপা মসজিদের খতিব মাওলানা ইকবাল হোসাইন আল কাদেরী, কাঠালতলি জামে মসজিদের খতিব হাফেজ ক্বারী মাওলানা সেকান্দর হোসাইন আল ক্বাদেরী, বনরূপা জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা সুলতান মাহমুদ এবং রিজার্ভবাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ছৈয়দ আবু নওশদ নঙ্গমী।

সাধারণ মানুষ, শিশুরা থেকে শুরু করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা—all together—পরিষ্কার করে জানান যে, এই দিনটি শুধু ধর্মীয় আয়োজনে নয়, বরং মহানবীর প্রেম ও অনুসরণে একত্রিত হওয়ার দিন। রাঙামাটির রূপ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদাপূর্ণ করে তুলেছে এ মিলাদ ও জুলুসের অনুষ্ঠান।