ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইলেকট্রোরাল কলেজ পদ্ধতি বিএনপির সমর্থন পায়নি

বিএনপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তাবিত ইলেকট্রোরাল কলেজ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে কঠোর নিন্দা জানিয়েছে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘‘এই ব্যবস্থা জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার একটি নতুন ছলচাতুরি মাত্র।’’

গতকাল বুধবার বিকালে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মত প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, কমিশনের প্রস্তাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য একটি ইলেকট্রোরাল কলেজ গঠন করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে প্রায় ৭০ হাজার ভোটার থাকবেন। এই ভোটাররা ইউনিয়ন থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার পর্যায়ের প্রতিনিধিরা হবেন। প্রস্তাবে একজন সৎ, দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতির পদে মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘‘জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি আগের মতো অমত। কারণ, এই কাউন্সিলের জবাবদিহিতা নেই এবং এতে ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হবে বলে আমরা মনে করি।’’

তিনি স্বাধীন বিচারব্যবস্থার গুরুত্ব গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘‘যখন স্বাধীন বিচারব্যবস্থা থাকবে, তখন ভারসাম্যহীনতা দূর হবে এবং ফ্যাসিবাদ দমন সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে, অন্য সাংবিধানিক পদ ও সংস্থাগুলোকেও স্বাধীন করতে হবে।’’

বিএনপি মনে করে সুশাসন নিশ্চিত করতে বিচার ব্যবস্থা ন্যায়পরায়ণ হতে হবে। বিদ্যমান ব্যবস্থার মধ্যে থাকলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন করা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশন আইন সংশোধন করে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। দুদক ও মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষমতা শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংস্কার জরুরি।’’