বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ‘নতুন নাটক, নতুন সময়—মঞ্চে জাগুক মানুষের কথা’ এই প্রতিপাদ্যে আট দিনব্যাপী নাট্যোৎসব আয়োজন করছে। জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার হল মিলনায়তনে ১২ জুন থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত চলবে এ উৎসব, যা একাডেমি বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
এ আয়োজনটি ২০২৫ সালে প্রথম মঞ্চায়িত নাটকগুলো থেকে নির্বাচিত প্রযোজনাগুলোকে সামনে রেখে গঠন করা হয়েছে। আট দিনের এই উৎসবে মোট আটটি নাটক মঞ্চায়িত হবে। ধারাবাহিকভাবে প্রদর্শিত নাটকগুলোর তালিকা হলো: দিনাজপুর নাট্য সমিতির ‘চোরের নাম চরনদাস’, ইয়াং বংহুং থিয়েটারের ‘রিনা পুং’, দৃশ্যকাব্যের ‘ইডিপাস’, হান্ট থিয়েটারের ‘ক্যাফে দ্যা ভলতে’, প্রাচ্যনাটের ‘ব্যতিক্রম ও নিয়ম’, ঢাকা থিয়েটারের ‘রঙমহাল’, নাট্যায়ন সিলেটের ‘মহাকালের অন্তর্যাত্রা’ এবং শব্দ থিয়েটারের ‘দি গ্রেট স্মাগলার’।
প্রতিটি প্রদর্শনী সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হবে এবং দর্শকের বিনিময়ে উপভোগ করা যাবে। প্রতিটি অনুষ্ঠানের আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলের লবিতে বাংলা নাটকের গান পরিবেশিত হবে, যা দর্শকরা বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারবেন।
উৎসবের অংশ হিসেবে উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের জন্য একটি বিশেষ কর্মশালাও আয়োজন করা হয়েছে। ‘সমকালীন বিশ্ব বাস্তবতায় নাট্যসৃজন: দর্শন, নন্দন ও কৃৎকৌশল’ শীর্ষক এই কর্মশালা ১৫ থেকে ১৯ জুন জাতীয় নাট্যশালায় প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। কর্মশালায় তরুণ নির্মাতাদের নাট্যপ্রযোজনার দর্শন, নন্দনতত্ত্ব ও নির্মাণকৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
শিল্পকলা একাডেমি আশা করছে, এ উৎসব তরুণ নাট্যকার ও নির্মাতাদের কাজকে উঠে আসার সুযোগ করে দিলেই নয়, দর্শকদের সামনে সমসাময়িক নাট্যচর্চার নানা দিক তুলে ধরবে।








