স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশের টিকার ঘাটতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূরণ করতে তারা চেষ্টার কোন ত্রুটি করবেন না। তিনি এই ব্যাপারে স্পষ্ট তারিখ না জানালেও আশা প্রকাশ করেন, যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় টিকা সংগ্রহ ও আনা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে টিকার সংকট রয়েছে due to জটিলতায়। কেন্দ্রীয় গুদামে মোট ১০টি বিভিন্ন টিকার মজুত শূন্যে চলে গেছে, যা উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে চলতি মাসে হামে ৪১ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও টিকা কার্যক্রমের জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, হামের বিস্তার রোধে দ্রুত اقدامات নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, বর্তমানে হাম রোগের মোকাবিলায় আরও ২০টি ভেন্টিলেটর সরবরাহ করা হচ্ছে এবং আরও বেশি চিকিৎসক ও নার্সকে চিকিৎসায় যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের উত্তর দিতে গিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকার সফলভাবে হাম রোগের মোকাবিলা করছে এবং দেশের মানুষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন। তাঁর কথায়, দ্রুততম সময়ে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে যেন সাধারণ মানুষের আস্থা বজায় থাকে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে একাধিক ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে টিকা প্রদান করা হলেও এরপর আর কোন ব্যাপক ক্যাম্পেইন হয়নি। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, হামসহ বিভিন্ন রোগের নতুন প্রাদুর্ভাবের ফলে বিশেষ করে যারা ভ্যাকসিন না নিয়েছেন, তাদের মধ্যে মারাত্মক আকারে রোগের বিস্তার হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত রোববার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের টিকার ঘাটতি মোকাবিলার জন্য সরকার ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এমন পদক্ষেপে আশা করা যাচ্ছে, শিগগিরই এই সংকটের সমাধান হবে এবং জনগণের সুস্বাস্থ্য রক্ষা হবে।








