আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৯ম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থপ্রিয় শিক্ষক ও কর্মচারীদের সংগঠন, জোট। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের প্রধান নেতা অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি এই অ্যালটিমেটাম দেন। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ৫ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী মানববন্ধন এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও এর মুখপাত্রের কাছে স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে নতুন পে-স্কেল না আসায় প্রজাতন্ত্রের চাকরিজীবীদের মধ্যে গভীর অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই অবহেলা ও দীর্ঘসূত্রতা দেশবাসীর ন্যায্য অধিকার হরণ করছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শেখানো হয়, এই মূল্যস্ফীতির বাজারে বর্তমান বেতন দিয়ে জীবনযাপন অনেক কষ্টের হয়ে পড়েছে। এদিকে, প্রজ্ঞাপন বিলম্বিত করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়। বিভিন্ন মহল থেকে চলমান এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা জারি করেন তিনি, যারা এই বিষয়ে ভুল বক্তব্য ও নেতিবাচক মন্তব্য করছে, তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। অধ্যক্ষ আজীজি আরও বলেন, বেতন কমিশন গঠিত হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, যা জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এর সাম্প্রতিক মন্তব্যের সমালোচনা করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আজকের মানবিক পরিস্থিতিতে অর্ধকোটি মানুষের জীবনমান সংশ্লিষ্ট এই বেতন কাঠামোর উন্নয়ন খুবই জরুরি, যা বর্তমান সরকারের মেয়াদেই বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি, এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষকদের জাতীয়করণের দাবিকে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী অঙ্গীকারে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়। এই সংবাদ সম্মেলনে জোটের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মতিউর রহমান, মো. নুরুল আমিন হেলালী, মো. মিজানুর রহমান ও মো. হাবিবুল্লাহ রাজুসহ অন্যান্য শিক্ষক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




