আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ। জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান সদস্য রাষ্ট্রদের সর্বসম্মত সমর্থনে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন, বলেছে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এই তথ্য আজ মঙ্গলবার জেনেভা থেকে জানানো হয়েছে।
আইএলওর আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনকে সংস্থার সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তগ্রহণকারী ফোরাম হিসেবে ধরা হয়, যেখানে শ্রম অধিকার, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার সংক্রান্ত বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণ করা হয়। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি প্রতিনিধির এই নির্বাচনকে কূটনৈতিক মঞ্চে দেশের একটি স্বল্পকালে অর্জিত যথেষ্ট সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এবারের সম্মেলনের সভাপতিত্ব করছেন উরুগুয়ের শ্রম ও সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী জুয়ান কাস্টিলো। সহ-সভাপতি হিসেবে নাহিদা সোবহানের সঙ্গে কাজ করবেন আর্জেন্টিনার জেরার্দো মার্তিনেজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টেন কফম্যানও।
বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন বলেছে, এই নির্বাচন বৈশ্বিক শ্রম ব্যবস্থায় দেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ, শোভন কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ, শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি শ্রমখাতে উদ্ভূত নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে দেশের ভূমিকার স্বীকৃতি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
সহ-সভাপতির ভূমিকা থেকে বাংলাদেশ আইএলওভুক্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিভিন্ন শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক ইস্যুতে মতৈক্য গড়ে দিতে এবং নীতিনির্ধারণী আলোচনায় সক্রিয় অবদান রাখবে। এই মঞ্চ বাংলাদেশকে তার শ্রমনীতি, কর্মসংস্থান সুবিধা এবং সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরার সুযোগও দেবে।
প্রতি বছর আয়োজিত এই সম্মেলনে সরকার, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে বৈশ্বিক শ্রমবাজারের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এবারের অধিবেশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।








