পবিত্র ঈদুল আজহার প্রাক্কালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের জনগণের জন্য শুভেচ্ছা পাঠানোর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পোস্টে বলেন, “ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব ও সদ্ভাবের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হোক।”
এর আগে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি বিশেষ পত্রে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে জনকল্যাণমুখী ও বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতি নয়াদিল্লির দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। পত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্ববহ। উভয় দেশের আত্মত্যাগ, সাংস্কৃতিক সংযোগ এবং এই অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন আকাঙ্খার ওপর বর্তমান অংশীদারিত্ব গড়ে উঠেছে।
মোদির বক্তব্যে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে, দুই দেশের সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা ও যৌথ ভিশন ভবিষ্যতেও উভয় দেশের জনগণের সমৃদ্ধি ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে, ভারতের সরকার জনগণকে প্রকৃতভাবে উপকৃত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
পত্রে মোদি ঈদ উৎসবের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বও তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন যে, ঈদ ভারতের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অঙ্গ, যা কোটি কোটি ভারতীয় মুসলিম উৎসাহ ও ভক্তির সঙ্গে উদযাপন করেন। তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন যে, ত্যাগ, সহানুভূতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের মতো মূল্যবোধই এই উৎসবের মূল বার্তা এবং এসব মানবিক গুণ একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে অপরিহার্য।
চিঠির শেষ ভাগে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন এবং বাংলাদেশের জনগণের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।







