ঢাকা | মঙ্গলবার | ২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

২৬ উইকেট নিয়ে রিশাদ যৌথের শীর্ষে, তাসকিন-মোস্তাফিজের সুযোগ থাকছে

বছরটি দ্রুত শেষের দিকে এগিয়ে আসছে, আর এই সময়ে তারতীয় পরিসংখ্যান দেখে অনেকই খুশি হন। বিশেষ করে, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এই বছর বাংলাদেশের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় শীর্ষে আছেন। এই সংস্করণে এখন পর্যন্ত তিনি টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে যৌথভাবে প্রথম স্থানে রয়েছেন।

তবে, এ বছর সব দল মিলিয়ে মূল শীর্ষস্থানটি বাইরের কোনও দলীয় খেলোয়াড়ের হাতে। সেটি হলো বাহরাইনের পেসার রিজওয়ান বাট। ২৯ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৫০টি উইকেট, যা এখনো কেউ স্পর্শ করেননি। তার পাশাপাশি, অস্ট্রিয়ার দুই পেসার উমাইর তারিক এবং আকিব ইকবাল যথাক্রমে ৪৮ ও ৪৩ উইকেট নিয়ে তালিকায় শীর্ষে আছেন।

যদিও এই তালিকায় দেশের মধ্যে অন্যতম শীর্ষ উইকেটশিকারি হিসেবে রিশাদ দশম স্থানে রয়েছেন, যেখানে প্রথম নয়জনই সহযোগী দেশের খেলোয়াড়। এই দিক থেকে দেখা গেলে রিশাদের অর্জন সত্যিই প্রশংসনীয়।

অন্যদিকে, টেস্ট খেলোয়ারদের মধ্যে উইকেট শিকারি হিসেবে রিশাদ ও জেসন হোল্ডার যৌথভাবে עומছেন শীর্ষে। ১৭ ম্যাচে সমান ২৬ উইকেট শিকার করেছেন দুইজন। তবে, বোলিং গড়, ইকোনমি রেট ও ইনিংসের সংখ্যা আলাদা—যেখানে রিশাদের সামান্য সুবিধা রয়েছে।

বিশেষত, রিশাদের এরিকমি রেট (৮.৫০) হোল্ডারের (৮.৫৯) থেকে ভালো, এবং ইনিংস ভিত্তিক উইকেট শিকারেও এগিয়ে। তবে, ওভারসংখ্যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁর থেকে বেশি।

আরও কিছু দুর্দান্ত বোলার, যেমন পাকিস্তানের স্পিনার মোহাম্মদ নেওয়াজ, নিউজিল্যান্ডের জ্যাক ডাফি, জিম্বাবুয়ের রিচার্ড এনগারাভা ও বাংলাদেশের দুই পেসার মোস্তাফিজ আহমেদ ও তাসকিন আহমেদ, সবকয়েরই রিশাদের সাথে উইকেট তুলনার সুযোগ রয়েছে।

সুতরাং, রিশাদের জন্য আরও সুযোগ রয়ে গেছে আরও এগিয়ে যাওয়ার। বাংলাদেশের ফুটবল আগামীতে আরও চারের বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে, যার মধ্যে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের বাকি ম্যাচগুলো এবং আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজ। এই সিরিজে ইতিমধ্যে তিনি ৩ উইকেট নিয়েছেন। এভাবে, বছর শেষে তাঁর উইকেট শিকার আরও বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।