ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

এক সম্পর্ক ভেঙে আরেক সম্পর্ক নয়, স্বার্থের ভিত্তিতে এগোবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো সম্পর্কের মানসিকতা পরিবর্তন করে নতুন সম্পর্ক সৃষ্টি করা নয়। বরং দেশের স্বার্থের কারণে existing সম্পর্কগুলোকে শক্তিশালী করে জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখা তার লক্ষ্য। তিনি বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। দুই দেশের প্রতিনিধির মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থে ভর করে বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার করার ওপর তারা গুরুত্ব দেয়। তিনি চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে হওয়া উদ্বেগের ব্যাপারে বলেন, কূটনীতি সব সময় আনুমানিক ধারণার উপর ভিত্তি করে কাজ করে না। আমাদের বাস্তবতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশে-বিদেশে আলোচনা হয়, কিন্তু তা পররাষ্ট্রনীতির মূল চালিকা শক্তি নয়। ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে অন্য দেশের সম্পর্ক কখনো “জিরো-সাম গেম” নয়। একজনের স্বার্থ রক্ষা করে অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট বা কমানো আমাদের নীতি নয়। নিজের দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে আমরা সব দেশের মধ্যে সম্পর্ক বিকাশের চেষ্টা করি। তিনি আরও বলেন, সম্পর্কের উন্নয়ন মানে অন্য সম্পর্কের অবনতি নয়। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সফর অত্যন্ত সফল ছিল। ভবিষ্যতে যদি প্রধানমন্ত্রী ভারতের সফর করেন, সেটিও ইতিবাচক ফলাফলের জন্য প্রত্যাশা করা যায়। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বাংলাদেশ আলোচনা করেছে, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে একসঙ্গে অনেক দেশের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু সবকিছুর ভিত্তি হলো জাতীয় স্বার্থ। যেখানে দেশের স্বার্থ প্রতিষ্ঠিত, সেখানে দেশ অগ্রসর হবে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থের উপর ভিত্তি করে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। উভয় দেশ উল্লেখ করেন, অভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে এবং সহযোগিতা আরও উন্নত করতে হবে।