কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় একটি ভয়াবহ ধর্ষণ ঘটেছে, যেখানে এক নারীর বসতঘরের দরজা ভেঙে তার উপর কূটনৈতিক অত্যাচার চালানো হয়। এই ঘটনায় প্রধান আসামি ফজর আলী (৩৮) সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ফজর আলীকে ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে আটক করা হয়। তিনি মুরাদনগরের বাহেরচর পাচকিত্তা গ্রামের বাসিন্দা।
ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আরও চারজন—অনিক, সুমন, রমজান ও বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা সবাই একই গ্রামের বাসিন্দা। কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের বাহেরচর পাচকিত্তা গ্রামে এই নৃশংস ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। সামাজিক মাধ্যমে ঘটনাটির ভিডিও ও বিস্তারিত মুহূর্তগুলো ছড়িয়ে পরলে নেটিজেনরা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান এবং দৃষ্টান্তমূলক আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি করেন।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার নারী নিজেই বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় ফজর আলীর নামে এক মামলা করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য চারজনকে ভিডিও ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে, স্থানীয়রা ধর্ষণকারীর নাম ধরে ফজর আলীকে আটক করে মারধর করলে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করেন। একই সঙ্গে ফজর আলীর গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হয়, যা ফলপ্রসূ হয়।
পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ জানান, ভুক্তভোগী নারী ১৫ দিন আগে বাপের বাড়ি থেকে বেড়াতে এসেছিলেন। এই কাকতালীয় ঘটনার তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে শপথ পূর্ণ বিচার নিশ্চিত করতে চেষ্টা করা হবে।









