নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, সংসদের পক্ষ থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হলেও, এখনই গাজী নজরুল ইসলাম সংসদ সদস্যের পদ বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। সম্প্রতি সংসদ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়ার পরই আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
ইসি প্রতিনিধিরা বলেন, সংসদ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও চিঠি পাওয়ার পর পর্যাপ্ত পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়ে বিষয়টির আইনি দিকগুলো বিশ্লেষণ করা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সংবিধান ও বিদ্যমান আইনের অনুযায়ী, যদি কোনও সংসদ সদস্য নিজ ইচ্ছায় দলের থেকে পদত্যাগ করেন, তবে তার সংসদ সদস্যের পদ বাতিলের বিধান রয়েছে। তবে, যদি কোনও রাজনৈতিক দল নিজের সদস্যকে বহিষ্কার করে, তবে সেই কারণে সংসদ সদস্যের পদ বাতিলের কোনও আইনি সুযোগ নেই। আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে নির্বাচনের জন্য সংসদ থেকে স্পীকারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা বা রেফারেন্স পাঠানোর প্রয়োজন রয়েছে, যা পাওয়ার পরই নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে।
এ দিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসের লক্ষ্য রেখে সার্বিক প্রস্তুতি চলছে। নতুনভাবে গঠিত পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। আবহাওয়া পরিস্থিতি, সরকারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনা করে খুবই ভাবনাচিন্তার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে চূড়ান্ত নির্বাচনের তারিখ।









