২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রোজা শুরুর আগেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। এ ব্যপারে নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি পত্র পাঠানো হয়েছে, যেখানে নির্বাচন অনুষ্টানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সকল প্রয়োজনীয় সহযোগিতা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজ নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো পত্রে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া বলেন, নির্ধারিত সময়ে শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুনির্দিষ্ট মানসম্পন্ন নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। তিনি আশা ব্যক্ত করেন, ভোট গ্রহনে যেন উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয় এবং সবাই নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে ভোটের মহোৎসবকে সাফল্যমণ্ডিত করতে সাহায্য করে।
গত ৫ আগস্ট ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উদযাপনকালে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেন, আগামী বছর রোজা শুরুর আগে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন আয়োজনের জন্য দ্রুত চিঠি পাঠাতে হবে। সেই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় আজ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এ পত্র পাঠিয়েছে।
পত্রে উল্লেখ করা হয়, প্রধান উপদেষ্টা ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে নির্বাচন যেন একটি আনন্দ উৎসবের মতো হয়ে ওঠে, তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। এছাড়া, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্বাচনের স্বচ্ছতা এবং দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাও রेखে দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাসও এই পত্রে দেওয়া হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া নির্বাচনের সময় নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ জানিয়েছেন, যাতে আগামী জাতীয় নির্বাচন দেশের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় এবং সফল নির্বাচন হিসাবে সম্মানিত হয়।








