নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় গোয়েন্দা সাহসিক্যের সিরিজে নতুন করে ফিরছে এনোলা হোমস — তা’ই জানিয়ে দেওয়া হলো ছবির প্রথম দর্শনীয় ফার্স্টলুকের মাধ্যমে। স্ট্রিমিং জায়ান্ট ঘোষণা করেছে, ‘এনোলা হোমস থ্রি’ বিশ্বজুড়ে ১ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে, আর দর্শক-ভক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
এনোলা হোমসের চরিত্রে ফিরে এসেছেন মিলি ববি ব্রাউন; তাঁর চটপটে বুদ্ধি আর সাহসিকতা দেখার জন্য ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। পাশাপাশি শার্লক হোমসের ভূমিকায় ফিরেছেন হেনরি কাভিল, এবং পরিবারের মা হিসেবে দেখা যাবে হেলেনা বোনহ্যাম কার্টারকে। লুই পার্ট্রিজ লর্ড টেউসবারির চরিত্রে ফিরে আসছেন, আর শার্লকের বিশ্বস্ত সহযোগী ডাক্তার ওয়াটসন হিসেবে থাকছেন হামিশ প্যাটেল। এই তৌলনাহীন তারকাবহুল দলে সিনেমাটিকে নিয়ে এসেছে নতুন মাত্রা।
প্রোডাকশনেও এসেছে বড় বদলি: সম্প্রতি আলোচিত সিরিজ ‘অ্যাডোলেসেন্স’-এর নির্মাতা ও লেখকদের সঙ্গে এ ছবির কাজ যুক্ত হয়েছে। চিত্রনাট্য লিখেছেন খ্যাতিমান লেখক জ্যাক থর্ন, পরিচালনার দায়িত্বে আছেন ফিলিপ বারান্তিনি। নতুন এই সৃজনশীল দলই সিনেমাটির কাহিনি বলার ধরন এবং ভিজ্যুয়াল টান বদলে দিতে পারবে বলে নির্মাণশিল্পীরা আশাবাদী।
কাহিনির পরিধিও প্রসারিত হয়েছে — এবার এনোলার অভিযান শুরু হবে ভূমধ্যসাগরীয় দেশ মাল্টা থেকে। সেখানে একটি জটিল রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করতে গিয়ে এনোলা নিজেই বড় বিপদের মধ্যে পড়েন। পেশাগত দায়িত্ব আর ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েনে তিনি এমন এক সংকটের মুখে পড়েন, যা আগের অভিযানগুলোতে দেখা যায়নি। তাঁর অদম্য সাহস ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধি নিয়েই তৈরি হবে এবারের ক্লাইম্যাক্স।
নেটফ্লিক্স জানিয়েছে, এই তৃতীয় কিস্তি আগের দু’টি ছবির তুলনায় বেশি রহস্যময় ও বড় পরিসরে নির্মিত হয়েছে। আধুনিক অতীত-প্রেক্ষাপটের (period drama) শুভসংমিশ্রণ ও নতুন গল্প বলার ধাঁচ দর্শকদের কাছে এক নতুন ধরনের সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা হিসেবে ধরা দেবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
আগের দুটি কিস্তির সাফল্যের আলোকে ভক্তদের প্রত্যাশা তাঙিয়ে ওঠায়, এবারের মুক্তি ১ জুলাই বড় পর্দায় নতুন রোমাঞ্চ ও কৌতূহল জাগাতে বাধ্য।








