ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) তিন দশক সফল ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পর যুক্তরাজ্যভিত্তিক এক্সপেরিয়েন্স ক্লডিং কোম্পানি লিমিটেড বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)‑র সঙ্গে নিজদের চুক্তি নতুনভাবে নবায়ন করেছে। এই সমঝোতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পরবর্তী ৩০ বছর ধরে ঢাকা ইপিজেডে বাণিজ্যিক উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অধিকার পাবে।
বেপজা প্রধান কার্যালয়ে সোমবার অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং এক্সপেরিয়েন্স ক্লডিংয়ের পরিচালক জুলফিকার মাকসুদ নিজেদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বেপজার দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, এ কারখানায় বর্তমানে ১ কোটি ৫১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলারের প্রকৃত বিনিয়োগ রয়েছে এবং এখানে ২ হাজার ৪৮৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক কর্মসংস্থানের সুবিধা পাচ্ছেন।
বেপজা কর্তৃপক্ষ এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি নবায়নকে দেশের স্থিতিশীল বিনিয়োগ পরিবেশে বিদেশি উদ্যোক্তাদের সংস্থাবদ্ধ আস্থা হিসেবে মূল্যায়ন করছে। সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ৩০ বছর ব্যবসা করার পরে আবার সমপরিমাণ সময়ের জন্য চুক্তি নবায়ন করা বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের জন্য ইতিবাচক সংকেত। এ ধরনের পদক্ষেপ অন্যান্য বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদেরও এখানে বিনিয়োগ ধরে রাখার ও সম্প্রসারণের জন্য উৎসাহ যোগাবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা ও বেপজার সাবেক সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) জিল্লুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বেপজা জানিয়েছে যে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলোতে দীর্ঘস্থায়ী বিনিয়োগ আকৃষ্ট ও নিশ্চিত করতে তারা নীতিগত সহায়তা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়নে নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এক্সপেরিয়েন্স ক্লডিংয়ের এই নবায়িত চুক্তি সেই প্রচেষ্টারই সফল ফলাফল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের পণপ্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানিমুখী বিনিয়োগ বজায় থাকলে দেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি বসতি আরও মজবুত হবে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।








