ঢাকা | মঙ্গলবার | ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করে তোলার উদ্দেশ্যে আজ সচিবালয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যায়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের নানা দিক, বিশেষ করে স্থানীয় সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পে সহযোগিতা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ড. আবদুল মঈন খান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, উপস্থিত ছিলেন এর अतिरिक्त, মীর শাহে আলম প্রতিমন্ত্রী। বৈঠক চলাকালে জল্পনা-কলহমুক্ত নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও মূল গুরুত্ব ছিল বাংলাদেশের অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা গ্রহনের। মন্ত্রী আধুনিক পানি ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কৃষি খাতে প্রয়োজনীয় কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার স্থাপনে মার্কিন প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তিগুলো বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী ও কার্যকর করার পাশাপাশি নগর পরিবেশের সুরক্ষা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকীকরণেও জোড় দিচ্ছে। সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের নতুন দায়িত্ব গ্রহণে মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত, এবং এই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, প্রধানমন্ত্রীও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরত্ব দিচ্ছেন এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়ানো আবশ্যক। উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন, এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর হবে আগামী দিনগুলোতে, যা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এই সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রফিকুল ই মোহামেদসহ উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, টেকসই উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় হবে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হবে।