ঢাকা | শনিবার | ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

৩৩ প্রকার ওষুধের দাম কমেছে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) ৩৩ প্রকার অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম কমিয়ে দিয়েছে। গতকাল, বুধবার কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামাদ মৃধা এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, এই দাম কমানো সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হয়েছে।

সামাদ মৃধা জানান, পূর্বের সিন্ডিকেট ভেঙে র-ম্যাটেরিয়াল যৌক্তিক মূল্যে কেনার ব্যবস্থা করার ফলে উৎপাদন ব্যয় অনেকটাই কমেছে। এর ফলে এই ৩৩ ধরনের ওষুধের দাম ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে।

দাম কমেছে অ্যান্টিবায়োটিক থেকে শুরু করে নিউমোনিয়া, সর্দি-জ্বর, উচ্চরক্তচাপ, গ্যাস্ট্রিক আলসার, কৃমিনাশক, ব্যথানাশক, হাঁপানি ও ভিটামিন সংক্রান্ত ওষুধে। বিশেষ করে ওমিপ্রাজল ক্যাপসুল, কেটোরোলাক ইনজেকশন, অনডানসেট্রন ইনজেকশন, সেফট্রিয়াক্সোন ও সেফটাজিডিম ইনজেকশনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে নিচে আনা হয়েছে। মেরোপেন ওমিপ্রাজল ইনজেকশনের দামও কমানো হয়েছে।

তদুপরি, মনটিলুকাস্ট ট্যাবলেটের দাম ১০.৬৭ টাকার থেকে কমিয়ে পাঁচ টাকায় আনা হয়েছে। গ্রামীণ ক্লিনিকে তালিকাভুক্ত ৩২টি ওষুধের মধ্যে ২২টির দামও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গ্যাস্ট্রিকের অ্যান্টাসিড, প্যারাসিটামল, সালবিউটামল, অ্যালবেনডাজল, ক্লোরামফেনিকল আই ড্রপ, এবং মেটফর্মিন।

কর্মী ছাঁটাই বিষয়েও সামাদ মৃধা জানান, ইডিসিএলের উৎপাদনক্ষমতার তুলনায় দুই হাজারের বেশি অপ্রয়োজনীয় ও অদক্ষ কর্মী ছিল, অনেকের বিরুদ্ধে জাল সার্টিফিকেট থাকার অভিযোগ রয়েছে। গত কয়েকদিনে ৭২২ জন কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে আরও এক হাজারের বেশি কর্মী ছাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব কর্মী ছাঁটাই হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ রয়েছে। এই পদক্ষেপ ইডিসিএলের মানোন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সুবিচার নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে।