বিএনপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তাবিত ইলেকট্রোরাল কলেজ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করেছে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এই ব্যবস্থা জনগণের সরাসরি ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য এক ধরনের ছলচাতুরীর মতো’।
গত বুধবার বিকালে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী একটি ইলেকট্রোরাল কলেজ গড়ে তোলা হবে যেখানে প্রায় ৭০ হাজার ভোটার থাকবেন। এই ভোটাররা ইউনিয়ন এবং স্থানীয় সরকার পর্যায়ের প্রতিনিধিরা হবেন। তাদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির জন্য মনোনয়ন প্রস্তাব করা হবে, যে মনোনীত ব্যক্তি হবে সৎ, দক্ষ ও অভিজ্ঞ।
তবে বিএনপি এই প্রস্তাবনায় একমত নয়। তিনি বললেন, ‘জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাবনায় বিএনপি আগের মতো এবারও ভোট দেয়নি। কারণ, এই কাউন্সিলে জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে এবং এতে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হবে’।
সালাহউদ্দিন আরও বলেন, ‘স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলে ভারসাম্যের অভাব দূর হবে এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়া সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সঙ্গে সহমতeping সাংবিধানিক পদ ও সংস্থাগুলো স্বাধীন করতে পারলে সমস্যা থাকবে না’।
বিএনপি মনে করে, সুশাসন নিশ্চিত করতে ন্যায়পাল ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। বিদ্যমান ব্যবস্থা বজায় রেখে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন করা যেতে পারে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের আইন সংশোধনের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও জানান, ‘দুদক ও মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য বিদ্যমান আইনগুলোর সংস্কারের প্রয়োজন’।









