বঙ্গবন্ধুর সময়ে প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যকার আসন্ন বৈঠক বর্তমানে রাজনীতির অন্যতম প্রধান ইভেন্ট বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, এই বৈঠকের গুরুত্ব বর্তমান সময়ে অত্যন্ত বেশি এবং এটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। এক সূত্রে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সাক্ষাতের মাধ্যমে দেশের রাজনীতির অনেক সমস্যার সমাধান সহজ হতে পারে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় ফখরুল বলেন, এই বৈঠক রাজনীতির ক্ষেত্রে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে পারে। তিনি আরও বলেন, ‘‘অনেক সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে এই সাক্ষাৎ, কিন্তু তা সফল হবে কিনা তা নির্ভর করবে আমাদের নেতাদের মনোভাবের ওপর।’’ বিএনপি’র তরফ থেকে তারেক রহমানকে সর্বাত্মক পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি তার বৈঠকের সাফল্য কামনা করেন।
যদিও বৈঠকের নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা নেই, তথাপি আগামী নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণে যারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে, তারই সমাধানে এ আলোচনা ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন ফখরুল।
তিনি আরও বলেন, ‘‘বর্তমান নির্বাচনকালীন সরকার একটি জটিল পরিস্থিতির মধ্যে ক্ষমতায় এসেছে। যদিও তাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সীমিত, তবুও প্রত্যেকে নিজ নিজ খাতে যুক্তিসঙ্গত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতায় সুসজ্জিত।’’ এই মন্তব্যে তিনি বর্তমান সরকারের শর্তকৃত অবস্থান তুলে ধরেন।
মোটকথা, ইউনূস ও তারেকের এই আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করতে যাচ্ছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।








