ঢাকা | সোমবার | ২৭শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

সৌদি লীগে খেলতে অনুমতি পাননি মেসি

ফুটবলপ্রেমীদের অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল, এক সাথে আবারও দেখা হবে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে একই ফুটবল লিগে খেলতে। এই দুই কিংবদন্তির দ্বৈরথ উপভোগ করত ধর্মপ্রাণ বিশ্ববাসী। তবে সেই স্বপ্নে বাধা হয়ে দাঁড়ালো সৌদি সরকার। একটি ব্রেকিং রিপোর্টে জানা গেছে, সৌদি আরবের এক শীর্ষ ফুটবল কর্মকর্তার মাধ্যমে জানানো হয়, ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে মেসি সৌদি আরবে খেলার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় তাকে সে অনুমতি দেননি।

উক্ত কর্মকর্তা বলেছিলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে মেসি প্রোটো এফএলএস (Major League Soccer) এর চার মাসের বিরতিতে সৌদি আরবে এসে খেলতে চেয়েছিলেন। সৌদি প্রো লীগ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তার এজেন্ট যোগাযোগ করেছিলেন, যেখানে মৌসুম শেষ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগে, অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে খেলার পরিকল্পনা ছিল। এ সময়ে তিনি ফিট থাকতেই চেয়েছিলেন, যাতে ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত থাকতে পারেন।

প্রসংগত, মহাদুদ স্পোর্টস একাডেমির প্রধান নির্বাহী আবদুল্লাহ হাম্মাদ এক পডকাস্টে বলেছিলেন, ‘গত ক্লাব বিশ্বকাপের সময় মেসির ক্লাব তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সৌদি আরবে খেলার প্রস্তাব দেয়। যেহেতু এমএলএসের মৌসুম প্রায় চার মাস বন্ধ থাকছে, তাই ওই সময়ে তিনি প্রস্তুত থাকতে চেয়েছিলেন। তিনি ডেভিড বেকহামকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, যিনি অ্যাঞ্জেলেসে গ্যালাক্সির হয়ে খেলছিলেন এবং ২০১০ বিশ্বকাপের আগে ইন্টার মিলানে খেলেছিলেন।

হাম্মাদ আরও জানান, তিনি এই প্রস্তাবের বিষয়ে সৌদি ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন, কিন্তু সেটি প্রত্যাখ্যান করা হয়। তার ভাষ্য, ‘মন্ত্রী খুব স্পষ্টভাবে বলেন, সৌদি লীগের পুরো মৌসুম শুধুমাত্র স্থানীয় টুর্নামেন্টের জন্য বরাদ্দ। এটি অন্য কোনো প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য নয়।’ পডকাস্টে একজন জিজ্ঞেস করেছিলেন, তাহলে কি সৌদি আরবই মেসির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন? তিনি উত্তরে বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, সেটাই বিচার করেন।’

প্রথমে খুবই গুজব ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে বলা হচ্ছিলো, ২০২৩ সালে পিএসজিট ছেড়ে সৌদি প্রো লীগে যোগ দেবেন মেসি। বেশ কিছু ক্লাবও আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তবে সব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকতেই মনোযোগী হন এবং বর্তমানে তার খেলেছেন ইন্টার মায়ামি (MLS) ক্লাবে।