বিগত ১৫ বছর ধরে সংবাদে গতি, নির্ভুলতা এবং বস্তুনিষ্ঠতার দৃঢ় উপস্থিতি দিয়ে একটি গৌরবময় যাত্রা সম্পন্ন করে বাংলাদেশের টেলিভিশন সাংবাদিকতা। এরপর ১৬ বছর পেরোতে চলেছে সময় টেলিভিশন, যা দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে পরিণত হয়েছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সময় টেলিভিশন গতকালের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতেও দর্শকদের আস্থা বজায় রাখতে দৃঢ় অঙ্গীকার Bound করবে বলে দর্শক ও বিশেষজ্ঞরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, দেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে সময় টেলিভিশনের বর্ষপূর্তি পালিত হয়। দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল নানা অনুষ্ঠানে মুখরিত হয় গোরস্থল। দুপুর থেকেই উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিুল আলম, জাতীয় সংসদের সরকারি দলের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ, ঢাকার দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকগণ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধি এবং প্রযোজক-পরিবেশকগণ। অতিথিদের মধ্যে কেক কাটার মাধ্যমে এই দিনটি উদযাপন করা হয়।
অতিথিরা এক声音ে বলছেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সময় টেলিভিশন অতীতের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতেও জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে থাকবে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ইতিহাসে বিগত ১৫ বছরে সময় টেলিভিশন সব ধরণের গৌরব ও এগিয়ে থাকার উদাহরণ তৈরি করেছে। এটি দেশের জন্য এক আনন্দের মুহূর্ত।’
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেন, ‘সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষার জন্য সময় টেলিভিশন যে দায়িত্ব পালন করছে, আমরা তা গভীরভাবে বিশ্বাস করি।’
সড়ক ও সেতু মন্ত্রী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, ‘সময় টেলিভিশনের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনেক শুভকামনা ও সফলতার প্রত্যাশা। ’
ডিএনসিসির প্রশাসক বলেন, ‘১৬ বছরে পা রাখতে পেরে আমরা গর্ব বোধ করছি। সবাইকে জানাই শুভ জন্মদিন।’
প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, ‘রাষ্ট্র ও সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি দায়িত্বশীল এবং স্বাধীন গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, সময় টেলিভিশন এ পথে এগিয়ে যাবে। ’
দর্শকদের প্রত্যাশা, কখনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে জনতার কথা বলবে সময় টেলিভিশন। পাশাপাশি অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য রুখে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াবে।
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে ভবিষ্যতেও এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার বাংলাদেশের এই অপ্রতিরোধ্য টেলিভিশন। দর্শক, কলাকুশলী এবং শুভানুধ্যায়ী সকলের প্রত্যাশা এমনই।









