হাম রোগের প্রতিরোধে বারবার টিকা না দেওয়া এবং এর মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে শিশু হত্যার অভিযোগে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ সোমবার (১৩ মে) রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মানববন্ধনে বক্তারা insists করেছে যে, সদ্য অবসর গ্রহণকারী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তারা অভিযোগ করেছেন, সহজে প্রতিরোধযোগ্য এই রোগের কারণে অসংখ্য শিশুর জীবন হারানো গেছে, যা পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব ছিল।
বক্তারা আরও জানিয়েছেন, ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশ থেকেই হাম রোগের টিকা সরবরাহ শুরু হয়েছিল, যা আমাদের শিশুরা সুস্থ থাকার অন্যতম প্রতিরোধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে এই টিকা না দেওয়ার সিদ্ধান্তে শিক্ষিত, চিকিৎসক, সাংবাদিক, আইনজীবী, কৃষিবিদ ও প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষজন ইতোমধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, অবৈধ সরকারের চাপে এবং টিকা ক্রয়ের অভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে সরকারি হিসাবে শত শত, বেসরকারি হিসেব শতাধিক শিশুকে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
বক্তারা এই মৃত্যুকাণ্ডকে শিশু হত্যার সামিল বলে আখ্যােয় করে এবং ইউনূসের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানান। সঞ্চালক হিসেবে ছিলেন নিপীড়ন বিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের সদস্য সচিব শেখ জামাল। মানববন্ধনে অংশ নেন প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর ড. অহিদুজ্জামান, কৃষিবিদ সাইদুর রহমান সেলিম, মিজানুর রহমান, অ্যাডভোকেট শামীম আল সাইফুল সোহাগ, ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল পাশা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীল দলের কো-অরাজনীতিবিদ অধ্যাপক তৌহিদ রশীদ ও অ্যাডভোকেট খায়ের উদ্দীন শিকদারসহ বিভিন্ন পেশার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা। এই মানববন্ধনের মাধ্যমে জনমত গড়ে তুলতে একযোগে দাবি জানানো হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তি ও হাম রোগের টিকা অবিলম্বে চালু করার।









