ঢাকা | শনিবার | ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

অবকাঠামো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান: এলজিআরডি মন্ত্রী

বাংলাদেশে অবকাঠামো, বন্দর ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের সহায়তা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশের চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এই আশা ব্যক্ত করেন। বৈঠকের সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এই আলোচনায় ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়ঃনিষ্কাশন, আধুনিক আবাসন, শিক্ষার ক্যারিকুলামে চীনা ভাষা অন্তর্ভুক্তি, দাশেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। রাজধানীর কড়াইল, গুলশান ও মহাখালী বস্তির উন্নয়নে আধুনিক বাসস্থানের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চীন থেকে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে এগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নে চীন ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশে তার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার ও সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বড় উন্নয়ন সহযোগী এবং দেশের বিভিন্ন খাতে চীনের দীর্ঘদিনের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং নগর উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে চীনের প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কের একটি নতুন পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালীকরণ ছাড়াও বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার জন-জনান্তিক সংযোগ আরো বৃদ্ধি করতে চায় চীন। মীর শাহে আলম বলেণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তিনি জানান, আগামী সেপ্টেম্বরের চীন সফরে এ বিষয়ের চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে। এই বৈঠকে ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।