ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ব্যবসায়ী সোহাগের হত্যার প্রতিবাদে বোরহানউদ্দিনে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি জানিয়ে বোরহানউদ্দিন উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।

শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উত্তর বাসস্ট্যান্ডে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শেষ হয়।

সমাবেশে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা ‘বিচার চাই, সোহাগ হত্যার বিচার চাই’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেনো বাহিরে’ এবং ‘রশি লাগলে রশি নে, খুনিকে ফাঁসি দে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার দ্রুত বিচার দাবিতে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জসিমউদ্দিন খানের সঞ্চালনায় আয়োজনকৃত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খান, সদস্য সচিব কাজী মোঃ আজম, যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুরুল আলম ফিরোজ কাজী, যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল আলম নাসিম কাজী, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি বশির আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফাইজুল ইসলাম, উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক শিহাব হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আতিফ আসলাম রুবেল, ছাত্রদলের সভাপতি দানিশ চৌধুরী, পৌর ছাত্রদল সভাপতি রায়হান আহমেদ শাকিল সহ নানা দায়িত্বশীল নেতারা।

বক্তারা বলেন, “৯ জুলাই মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে হওয়া সোহাগ হত্যাকাণ্ড আমরা বোরহানউদ্দিনের সমস্ত বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন দ্বারা কঠোরভাবে নিন্দা জানাচ্ছি। অনতিবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।” এছাড়াও তারা সম্প্রতি চাঁদপুরে মসজিদের ভিতরে এক ইমামের উপর হামলার ঘটনা প্রসঙ্গেও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বক্তারা আরও বলেন, “তরুণ রাজনীতিবিদ তারেক রহমান ও বিএনপির ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করার জন্য একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র করছে। বিএনপি শহীদ জিয়াউর রহমান গঠিত সর্বজনস্বীকৃত একটি রাজনৈতিক দল। আমরা দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। আওয়ামী লীগের নানামাখা হামলা ও মামলার মোকাবিলা করে রাজপথে টিকে থেকেছি। আমরা জনগণের আইনে কাজ করি এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান রাখি।”

তারা জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, “বাংলাদেশের অন্যতম প্রখ্যাত মেধাবী ছাত্র আবরারকে হত্যা করা হয়েছে, তখন এই গোষ্ঠীগুলো কোথায় ছিল? তাদের প্রতিবাদ আমরা দেখিনি।”

শেষে নেতারা রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অবাঞ্ছিত মিডিয়া ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে, আলোচনা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করার জন্য সবাইকে একত্রিত থাকার প্রতি জোর দেন।