জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপে জামায়াত ইসলামী কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল না। বিএনপি ও এনসিপির জন্য সংরক্ষিত জামায়াতের আসনটি মধ্যাহ্নভোজের আগ পর্যন্ত ফাঁকা ছিল।
জামায়াতের অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নানা মত প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, কমিশনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জামায়াতের অসন্তোষের কারণে তারা আলোচনায় যোগ দেননি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘জামায়াত কেন আলোচনায় উপস্থিত হয়নি তা বোঝার দায়িত্ব কমিশনেরই।’
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর জানান, ‘আমরা জানতে পেরেছি, জামায়াত আজকের বৈঠক প্রতীকীভাবে বয়কট করেছে। ঐকমত্য কমিশনের বেশ কয়েকটি বিষয়ে জামায়াত হয়ত দ্বিমত পোষণ করেছে, এজন্য তারা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেনি।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান জামায়াতের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের আজকের আলোচনায় থাকা উচিত ছিল। তারা বয়কট করেছেন কিনা সে বিষয়ে পরিষ্কার তথ্য দেয়নি। যদি মধ্যাহ্নভোজের পরেও তারা না আসেন, তবে বিষয়টির সার্বিক চিত্র স্পষ্ট হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বেশিরভাগ বিষয়ের সঙ্গে ঐকমত পোষণ করি, তবে নারীদের জন্য আলাদা করে সংরক্ষিত ১০০ আসনের প্রয়োজনীয়তা আমরা মনে করি না। নারীর ক্ষমতায়ন সমর্থন করি, কিন্তু তা যেন কোনো বৈষম্যমূলক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে না হয়।’
অনেক রাজনৈতিক দলের মতে, নারীর সংরক্ষিত আসনসহ কিছু বিষয় নিয়ে মতানৈক্যের কারণে জামায়াত আলোচনার প্রথম পর্যায়ে অংশ নেনি।








