বিশ্ববাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশে জ্বালানি তেলের দাম যতটা বেড়েছে, সেই অনুযায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যও সমন্বয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন, যেখানে তিনি দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান আর বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ বা সরবরাহে কোনো সংকট বা ঘাটতি দেখা যায়নি। তবে আসল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বিশ্ববাজারে জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধির কারণে দাম বাড়া ও মানুষের মধ্যে সৃষ্ট অযাচিত ভীতি। বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন, তবে সরকার এই চাপ মোকাবেলার জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
জ্বালানির দামে বৃদ্ধির প্রসঙ্গে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিফলন বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। তবে সরকার চেষ্টা করছে যেন সাধারণ মানুষের উপর এর প্রভাব কম থাকে।
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে তিনি জানান, গত দুই মাসে সরকার প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে। এতে কিছুটা চাপ তৈরি হলেও তিনি আশ্বস্ত করেন যে, পরিস্থিতি এখনও সংকটজনক হয়ে উঠেনি। এ অর্থের ব্যবহারে সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগও ব্যক্ত করেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া এবং ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোসহ আঞ্চলিকভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আগামী বছর নববর্ষের আগে এই পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করা হবে। এছাড়াও, পুরো বৈশাখ মাসজুড়ে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে।
শেষে, তিনি উল্লেখ করেন, ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩৩ মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে, যা চলমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং স্থিতিশীল।









