ঢাকা | বুধবার | ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

নির্বাচন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে, সতর্ক থাকতে আহ্বান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নেতাদের

বর্তমান সময়ে জাতীয় নির্বাচনকে ভিন্ন খাতে পরিচালিত করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি দেশের শিক্ষক সমাজকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ, সেই নির্বাচনে শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সময়ের মধ্যে যে গভীর ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে, তা যাতে ফলপ্রসূ না হয়, সে জন্য সবাইকে সাথে সুরে থাকতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের সোনালি বাংলাদেশ গড়ে তোলা। আমাদের পথ একটাই, তা হলো বাংলাদেশ। তিনি বলে যান, আমরা সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য একত্রিত হয়েছি।

আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবসের উপলক্ষে বিএনপি সমর্থিত শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট এক নিরাপদ, উন্নত ও বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার জন্য বিভিন্ন দাবি তুলে একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করে। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- অবসর বয়স ৬৫ বছর নির্ধারণ, নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা, এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ।

বিএনপির মহাসচিব উল্লেখ করেন, এসব দাবি বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির অংশ। তিনি বলেন, আমাদের সকলের দায়িত্ব হলো সন্তানদের সঠিক শিক্ষায় গড়ে তোলা, যারা সত্যিকার অর্থে আদর্শ নাগরিক ও মানবিক। সবাই মিলে একসঙ্গে আমাদের আধুনিক ও নৈতিকতার শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

সমাবেশের এক অংশে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি সেলিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত মহাসচিব জাকির হোসেনের পরিচালনায়, অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ ফ מ ইউসুফ হায়দার, এবং শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুগিজউদ্দিন চৌধুরী।

বক্তব্যে আরো অংশ নেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, আফরোজা বেগম রিতা ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।