গত মৌসুমে শোচনীয় পারফরম্যান্সের কারণে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের টেবিলের তলানিতে চলে গিয়েছিল লেস্টার সিটি। সেই কারণে দলের অবনমনে শেষ পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগ থেকে নেমে আসতে হয়েছে দ্বিতীয় স্তরের ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়নশিপে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে গত ২৭ জুন কোচ রুদ ফন নিস্টলরয় দায়িত্ব থেকে সরে যান।
নিস্টলরয়ের জায়গায় এবার লেস্টারে নিয়োগ পেয়েছেন কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের পূর্বতন কোচ স্প্যানিশ মার্তি সিফুয়েন্টেস। ক্লাবের মালিক হামজা চৌধুরী তাঁকে আগামী তিন বছরের জন্য কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। সিফুয়েন্টেসের সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো লেস্টারকে পুনরায় প্রিমিয়ার লিগে ফিরিয়ে আনা।
এই নিয়ে মাত্র তিন বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে হচ্ছে লেস্টারকে। এর আগে ২০২৪ সালে এনজো মারেসকার অধীনে চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা অর্জনের মাধ্যমে তারা প্রিমিয়ার লিগে উঠেছিল। কিন্তু সেখানে টিকে থাকতে পারেনি এবং পরবর্তী মৌসুমেই আবার অবনমিত হয়েছে।
খেলোয়াড় ও কোচ পরিবর্তনের ধারা লম্বা হওয়ার কারণে সিফুয়েন্টেসের দায়িত্বের স্থায়ীত্ব নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এর আগে মাত্র দুই বছরে লেস্টার ছয়জন স্থায়ী কোচ নিয়োগ দিয়েছে। এখন সবাই আশাবাদী যে, সিফুয়েন্টেস ক্লাবে টিকে থেকে স্থির এবং আধুনিক ফুটবল দর্শন নিয়ে আসবেন।
ক্লাবের চেয়ারম্যান আয়াওয়াত শ্রীভাদ্ধানাপ্রভা জানান, “সিফুয়েন্টেস আমাদের ক্লাবের জন্য অসাধারণ একটি উপহার। আমরা দৃঢ় বিশ্বাস করি, তার নেতৃত্বে আমরা সেই সাফল্য পেয়েছি যা আমাদের প্রত্যাশা।”
অন্য দিকে, লেস্টারের খেলোয়াড় হামজাও ক্লাবে কাটানো সময়ের পর দ্রুতই নাম করেছেন শেফিল্ডের ধারাভাবে। চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত শেফিল্ডে ধারাভাবে খেলেছেন মোট ১৬ ম্যাচ। এরপর আবার লেস্টারে ফিরে এসেছেন।
তবে আগামী মৌসুমে হামজা লেস্টারেই থাকবেন নাকি অন্য কোনো ক্লাবে যোগ দেবেন, তা নির্দিষ্ট নয়। গুঞ্জন রয়েছে যে, গ্রিসের চ্যাম্পিয়নস লিগ ক্লাব অলিম্পিয়াকোস তাঁকে দলে টানার চেষ্টা করছে। এখন দেখার বিষয়, হামজা লেস্টারে থেকে দলের প্রিমিয়ার লিগে প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবেন, না অলিম্পিয়াকোসে গিয়ে উচ্চতর মঞ্চে খেলবেন।









