মার্চে মুক্তির পর থেকে বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড গড়ছে পরিচালক আদিত্য ধরের নির্মিত ‘ধুরন্ধর ২’। একটি মাস পেরিয়ে গেলেও ছবিটির সাফল্য বরাবরের মতোই জোরালো; ৩৮তম দিনেও দর্শক আগ্রহ অব্যাহত রেখে ছবিটি আয় করেছে প্রায় ২.৯৫ লক্ষ টাকা।
বড় বাজেটের নতুন ছবিগুলো হলে আসার পরও ‘ধুরন্ধর ২’-এর জনপ্রিয়তা জমে আছে; অনেকে এখন তাদের তুলনায় মুখ থুবড়ে পড়েছে বলেই সমালোচকরা মন্তব্য করছেন। মুক্তির আগে কেবল অগ্রিম বুকিং থেকেই ছবিটি সংগ্রহ করেছিল প্রায় ৪৩ কোটি টাকা। মুক্তির প্রথম দিনে এটি যা আয় করে—১০২ কোটি টাকার ওপরে—তাতে বক্স অফিসে বাজিমাত হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। বর্তমানে ভারতের বাজারে ছবিটির মোট আয় ১,১২৭ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
এত বড় সাফল্যের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে রণবীর সিংয়ের তীব্র অভিনয় ও পর্দায় তার উপস্থিতি। চরিত্রে তার গভীরতা এবং লড়াকু ভাব দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। পাশাপাশি ছবির গানগুলোর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ছোঁয়া তরুণ দর্শককে সিনেমাহলে টেনে এনেছে এবং চলচ্চিত্রের ব্র্যান্ডকেই শক্ত করেছে।
অক্ষয় কুমারের ‘ভূত বাংলা’-র মতো প্রতীক্ষিত সিনেমার সঙ্গেও সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও ‘ধুরন্ধর 2’ নিজের অবস্থান অটল রাখতে পেরেছে। প্রথম কিস্তির সাফল্যের ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় অংশে গল্প আরও বিস্তৃত ও চরিত্রগুলো আরও জটিলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দর্শককে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পর্দায় আটকে রেখেছে। আদিত্য ধর কাহিনি বিন্যাস ও আধুনিক নির্মাণশৈলীর কারণে ছবিটিকে কেবল এক অ্যাকশন ফিল্ম না রেখে এক বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতায় পরিণত করেছেন।
চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি তেমন বড় কোনো নতুন মুক্তি না আসে এবং সপ্তাহান্তের দর্শকরা চলমান আহ্লাদ বজায় রাখে, তাহলে আয়ের এই ধারা আরও কিছুদিন চলতে পারে। চূড়ান্ত পরিসংখ্যান পাওয়ার পর মোট আয়ের সংখ্যা বর্তমানে থাকা হিসাবকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেই industry পর্যবেক্ষকরা আশা করছেন। ‘ধুরন্ধর ২’ আবারও প্রমাণ করেছে—ভাল গল্প, শক্ত মেকিং ও জনপ্রিয় লিড পারফরম্যান্স থাকলে দীর্ঘ সময় বক্স অফিসে দাপট বজায় রাখা সম্ভব।







