ঢাকা | বুধবার | ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

বাংলাদেশের একদম সহজ জয় দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দুর্দান্ত জয় দিয়ে নিজেদের শুরু করে দিয়েছে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের টাইগাররা পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে।

এই জয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাদের জয় সংখ্যা চারে পৌঁছিয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে মিরপুরে, ২০১৬ সালে এশিয়া কাপে এবং ২০২৩ সালের হাংজুতে অনুষ্ঠিত ১৯তম এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তান পরাজিত হয়েছিল।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১১০ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি format-এ প্রথমবার পাকিস্তানকে অলআউট করা ঐতিহাসিক কৃতিত্ব বাংলাদেশের কাছে যায়। জবাবে ২৭ বল বাকি রেখে জয় টানেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা।

বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন, যা সঠিক প্রমাণিত হয়। পাওয়ার প্লেতে দুই মিলে পাকিস্তানের ৪ উইকেট শিকার করেন বাংলাদেশের তিন পেসার ও এক স্পিনার।

মাহেদি হাসানের স্পিন এবং তাসকিন আহমেদের পেস বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা একের পর এক উইকেট হারান। পেসার মুস্তাফিজুর রহমান কাটার মাস্টারের মত উইকেট তুলে নিয়ে বোলিং দলে প্রাণ যোগান।

পাকিস্তানের ইনিংস বেশ বিচার বিশ্লেষণে ভরা ছিল, যেখানে ভুল বুঝাবুঝি ও রান আউটের কারণে বড় স্কোর গড়া সম্ভব হয়নি। ফখর জামান ও খুশদিল শাহ কিছুটা প্রতিরোধ গড়তে পারলেও তারা বড় স্কোর গড়তে পারেননি।

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ দুর্দান্ত ছিল, যার ফলে পাকিস্তান শেষ ওভারে ১১০ রানে অলআউট হয়। তাসকিন ৩ উইকেট ও মুস্তাফিজ ২ উইকেট নেন।

টায়ার টপকানোর পর বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিল, প্রথম দুই উইকেট দ্রুত হারিয়ে ফেললেও পারভেজ হোসেন ইমন এবং তাওহিদ হৃদয় জুটি গড়ে দলকে জোরালো অবস্থানে নিয়ে যান।

তাওহিদ হৃদয় ৩৬ রান করে ফিরলে, পারভেজ আরও ভালো খেলেন – ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এছাড়া জাকের আলি ১৫ রান যোগ করে দলের জয়কে আরও মজবুত করেন।

পাকিস্তানের পেসার সালমান মির্জা দুই উইকেট নিতে সক্ষম হলেও তা দলের জন্য পর্যাপ্ত হয়নি।

আগামী ২২ জুলাই মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুই দল। এই জয় বাংলাদেশের জন্য আত্মবিশ্বাসের বড় উৎস হবে।