ঢাকা | বুধবার | ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

সাবেক এমপি তুহিন ও শাহে আলম মুরাদ রিমান্ডে

জুলাই অভ্যুত্থানে আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগের

সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কার্যনির্বাহী সদস্য শাহে আলম মুরাদের একদিনের

রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

অন্যদিকে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলালীগের সাবেক

সভাপতি ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনের ২ দিনের

রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। সোমবার (৩০ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ

ভদ্রের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন শাহে আলম মুরাদের পাঁচদিন ও তুহিনের সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। এ

সময় তুহিনের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোরশেদ আলম শাহীন এবং মুরাদের পক্ষে ওবায়দুল ইসলাম

রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন।

এ ছাড়া, রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি

করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন: হাবিবুল আউয়ালকে কারাগারে পাঠাল আদালত

এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল সকালে উত্তরা এলাকা থেকে শাহে আলম মুরাদকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা

মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এ ছাড়াও, গত ২২ জুন গভীর রাতে ঢাকার

নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের আওনা গ্রামে বাবার বাড়ি থেকে তুহিনকে গ্রেপ্তার

করা হয়।

মুরাদের নামে করা মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র

আন্দোলনে জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্র-জনতার মিছিলে থাকা আবদুল মোতালেব নামের

এক কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। পরে ২৬ আগস্ট তার বাবা আব্দুল মতিন বাদী হয়ে

ধানমন্ডি থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান

কামাল, সাবেক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৭৬ জনকে আসামি করা হয়।

অন্যদিকে তুহিনের নামে করা মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৪ এপ্রিল সকাল ৭টার দিকে যুব

মহিলা লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ইশরাত জাহান নাসরিনসহ অজ্ঞাতনামা ১৪ থেকে ১৫ জন

দুষ্কৃতকারী শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সামনে নিষিদ্ধ সংগঠন

ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও যুব মহিলালীগের নেতাকর্মীরা মিছিল করেন।

আরও পড়ুন: নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির আগের আদেশ স্থগিত

পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যান। সে সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের

কার্যক্রম গতিশীল ও সন্ত্রাসী সংগঠনকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্য প্রধান উপদেষ্টা

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের দাবি করে স্বাধীন দেশের সংহতি, জননিরাপত্তা

ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার ষড়যন্ত্র করেন আসামিরা।

এ ঘটনায় ৪ এপ্রিল রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা

দায়ের করে পুলিশ।